Sun. Mar 3rd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    Pradhan Mantri Garib Kalyan Yojana New List 2023: আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর Pradhan Mantri Garib Kalyan Yojana (PMGKY) টি গত ২০১৬-১৭ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় সংশোধন অনুযায়ী এই প্রকল্পটির আইন পাস করা হয়েছিল তথা ২০১৬ সালের ১৭ই ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারা এই PMGKY প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল। যেখানে এখন আমাদের দেশের প্রায় বেশিরভাগ নাগরিক আজ সুবিধা নিচ্ছে। 

    তবে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গত ২০১৬ সালের ১৭ই ডিসেম্বর মাস থেকে এই প্রকল্পটির কার্যকর শুরু হয়েছিল। সেইক্ষেত্রে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অধীনে ভারতে বসবাসকারী সকল গরীব নাগরিকদের জন্য এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা (PMGKY) প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পটিতে কি কি সুবিধা রয়েছে, কেমন ভাবে আবেদন করবেন, তাহলে সেই সব সম্বন্ধে আজ আমাদের এই প্রতিবেদনে সমস্ত কিছু বিস্তারিত ভাবে আলোচনা রইলো।

    তবে এই প্রকল্পটি গত ২০২০ সাল থেকে চালু করানো হয়েছে। যেখানে ভারতে বসবাসকারী যত গরীব নাগরিক রয়েছে তারাও এই প্রকল্পটির সমস্ত সুবিধা গুলো নিতে পারবেন। তবে যারা কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধে আক্রান্ত হয়েছে তারাও এই প্রকল্পটির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়াও যে সমস্ত কৃষক, কমপুঁজির ব্যবসায়ীরাও এই প্রকল্পটির সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে আজ আমাদের এই আলোচনার মূল উদ্যেশ্য হলো প্রধানমন্ত্রীর এই গরীব কল্যাণ যোজনাটি। তাহলে চলুন আর দেরি না করে শুরু করা যাক।

    প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পের বড় আপডেট

    আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ৩০শে জুন ২০২৩ সালে এই প্রকল্পটির জন্য বক্তব্য রেখেছেন যে তিনি এই প্রকল্পটি এই মাসে অর্থাৎ এই নভেম্বর মাসের শেষের দিকে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি এটাও বলেছিলেন যে গত ৩মাসে মধ্যে প্রায় ৩১হাজার কোটি টাকা ২০ কোটি গরীব নাগরিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ছেড়েছেন। তবে ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে ভারতে বসবাসকারী যত গরীব নাগরিক রয়েছে তাদের জন্যে সম্পূর্ন বিনামূল্যে সমস্ত খাদ্যশস্য প্রদান করবেন। প্রত্যেকটি পরিবারের জন প্রতি ৫কেজি চাল, ডাল, গম, ইত্যাদি সমুহ প্রদান করবেন। যেটি তিনি আজ এখনো অবদি দিয়ে চলেছে।

    আরো পড়ুন >> Pan Card: ১১ কোটি মানুষের প্যান কার্ড বাতিল, এক্ষুনি সংশোধন করুন নাহলে জরিমানা লাগবে কয়েক হাজার টাকা।

    তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই প্রকল্পটিতে সম্প্রসারণের উদ্যোগ ব্যয় হতে চলেছে প্রায় ৯০হাজার কোটিরও বেশি টাকা। ভারতে কোভীড-১৯ চলা কালীন সরকার যখন লকডাউন করেছিলেন সেই তখন গরীব নাগরিকদের সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য অর্থমন্ত্রী দ্বারা এই প্রকল্পের প্যাকেজটি প্রশমিত করার জন্যই ঘোষণা করেছিলেন। তবে এই প্রকল্পটি অনেক আগে অর্থাৎ গত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ৩১শে মার্চ অবদি বৈধ ছিল এবং ২০২০ সালের সময় আরো এই প্রকল্পটির সময়সীমা ও কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছিল।

    যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পের যত অবৈধ সম্পদ এবং যত কালো টাকা ছিল সেগুলো সাদা করার জন্য একটি সুযোগ পাশ করে দেন। তবে এর নিয়ম অনুযায়ী সকল অঘোষিত সম্পদ ছিল সেগুলো ব্যাংক ব্যালেন্সের ৫০ শতাংশ জরিমানা দিতে হবে সরকার কে। যা দিয়ে এই গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পের কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে এখানে আয়ের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ জরিমানা দেওয়ার পরেও মামলা চালিয়ে যাওয়ার অনেক সুযোগ দিয়েছিল সরকার। অতএব অপ্রকাশিত আয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পটি তে বিনিয়োগ করতে হবে যা সরকার চার বছর পর কোনো রকমের সুদ ছাড়াই ফেরত দিবে।

    এই প্রকল্পের কিছু হাইলাইট

    • এই প্রকল্পটি গত ২০১৬ সালের ১৭ই ডিসেম্বরে চালু করা হয়েছিল যার নাম ছিল পূর্ন-ফর্ম প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা।

    • তবে সরকারি মন্ত্রালয়ের ও অর্থ মন্ত্রালয়ের কতৃপক্ষের থেকে পরিচালিত হয়েছিল এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা (PMGKY) যেটি প্রধানমন্ত্রীর তরফে গত ২০২০ সালের ২২শে জুন মাসে ঘোষণা করেছিলেন। এবং ২০২০ সালের ২ই মার্চ যে সকল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, সেই ক্ষয়ক্ষতির জন্য সরকারের অধীনে এই প্রকল্পটির পুনরায় উদ্যেগ নিয়েছিল।

    • তবে করোনা ভাইরাসের ফলে সারা দেশে যে লকসাউন হয়েছিল সেই তখন সাধারণ নাগরিকের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তার জন্য সরকারের তরফ থেকে প্রায় ৯কোটি টাকা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    • সেইক্ষেত্রে ২৬শে মার্চ ২০২০ সালে আমাদের দেশের অর্থমন্ত্রী দ্বারা নির্মলা সীতারামনের ঘোষণা করেছিল সেটির সম্বন্ধে নিচে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই কোভিড-১৯ এর সময় যে সমস্ত সাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছিল তাদের জন্য সরকারের পক্ষথেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার একটি বীমা চালু করেছেন।

    • তবে প্রধানমন্ত্রী দ্বারা আমাদের দেশে বসবাসকারী প্রায় ৮০ কোটিরও বেশি গরীব নাগরিকদের কে মাসে মাসে ৫ কেজি করে চাল ও গম এবং ১ কেজি করে ডাল দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্র সরকার।

    • তবে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকার প্রায় ২০ কোটি মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এবং ১৩.৬২ কোটিরও অধিক নাগরিকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে উপকৃত করার জন্য MNREGA এ দিন মজুরি হিসেবে প্রতিদিন ২০২ টাকা দিবে বলে জানিয়েছে। তবে এরফলে প্রায় ১৩.৬২ কোটিরও অধিক পরিবার উপকৃত হবে বলে সূত্র অনুযায়ী জানা যায়।

    প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনার সুবিধা গুলি

    সারা ভারতে কোভিড-১৯ চলাকালীন যে সমস্ত নাগরিকের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল সেটি হ্রাস করার জন্যই অর্থমন্ত্রী দ্বারা ২০২০ সালের ২২ শে মার্চ এই BPL পরিবার গুলোর জন্য এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পটি চালু করেছিলেন।

    তবে এই যোজনাটির মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই যোজনার সুবিধা প্রত্যেকটি সাস্থ্যকর্মী দেওয়া হবে যারা কোভিড-১৯ এর সময় প্রতিটি রোগীর সেবা করে গেছেন। তবে সেবা করার সময় যে সকল নাগরিকরা মারা গিয়েছেন তাদেরকে কেন্দ্র সরকার ৫০ লক্ষ টাকা প্রদান করবেন বলে জানিয়েছে।

    তবে এই মহামারীর মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে প্রায় ২২ লক্ষেরও বেশি সাস্থ্য কর্মীকে এই বীমাটির সুবিধা সরবরাহ করা হবে। অতএব এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার মাধ্যমে দেশের সকল মানুষদের কে ৩ মাসের জন্য বিনামূল্যে চাল, ডাল গম, আটা ইত্যাদি সমুহ দিয়ে সাহায্য করেছিলেন কেন্দ্র সরকার।

    অতএব এখানে গত ২০২০ সালের ২০ ই এপ্রিল থেকে কেন্দ্র সরকার দ্বারা এই প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা প্রকল্পটির আওতায় সুবিধাটি কর্যাকর হয়েছে। যেখানে যে সমস্ত মনরেগার অধীনে দিন মজুরি হিসেবে প্রতি জন কে সরকার ২ হাজার টাকা দিবে বলে জানিয়েছে। যা বছরে প্রায় ১৩.৬২ কোটিরও অধিক পরিবারকে এই টাকা টি দিয়ে উপকৃত করবে এবং তাদের আর্থদূর্বল এর কষ্ট টা দূর করবে।

    তবে আরো বিস্তারিত ভাবে যদি জানতে চান তাহলে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনার এই লিঙ্কটিতে প্রবেশ করুন- Prodhan Mantri Garib Kalyan য়োজন

    আরো নতুন নতুন নিউজ পেতে হলে আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে জয়েন করুন।

    হোয়াটস্যাপ লিঙ্ক 👉জয়েন 

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *