Wed. Feb 28th, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    একটা উৎসব শেষ হতে না হতেই চলে এলো আরেকটি উৎসব। দুর্গাপুজোয় যেমন সবাই মেতে উঠেছিল বেশ কয়েকটা দিন সেরকম এই উৎসবে মেতে উঠবে গোটা ভারতবাসী। দুর্গাপূজা টা যেরকম ভাবে বেশ আনন্দে কেটেছিল পশ্চিমবঙ্গ সহ আরো বেশ কয়েকটি রাজ্য। ঠিক সেরকম ভাবে এই কালীপুজো দীপাবলি উৎসবটি সকল ভারতবাসীদের খুব আনন্দে কাটবে।

    তবে এই উৎসবটি আসতে না আসতেই প্রায় অনেক মানুষের কপালে একটা চিন্তার ভাঁজ চলে আসে। তবে এই চিন্তার ভাঁজটির শুধুমাত্র একটাই কারণ সেটি হলো বাজি ফাটানো নিয়ে শব্দ দূষণ। সেই জন্যে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বারেক কে বার বেড়ে চলেছে। তবে এই পরিবেশ দূষণ রক্ষা করার জন্যে আতসবাজি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আদালত। তবে এই বেশিরভাগ সময় আতসবাজি ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এরফলে কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি হতে পারে।

     

    দীপাবলি নিয়ে সিদ্ধান্ত সরকারের

     

    অতএব কালীপুজো অর্থাৎ দীপাবলির সময় যেসব আতসবাজি ফাটানো হয়। তবে এই আতশবাজি ফাটানোর কারণে ভারতে বসবাসকারী বেশিরভাগ জনসংখ্যা নানান রকমের সমস্যায় পড়ে। যেমন- শ্বাসকষ্ট, হাপানি, ও ফুসফুসে সংক্রমণের স্বীকার হন সেরকম জনসংখ্যা। তবে এই আতশবাজির কারণে অনেক মানুষ স্বীকার হন বেশিরভাগ রোগে। তবে গত কয়েক বছর আগে দিল্লি ও কলকাতায় এই আতশবাজি দূষণের মাত্রা কম রাখার জন্যে সরকার থেকে একটি অন্য আতশবাজি ফাটানোর নির্দেশ করেছেন। সেই আতশবাজি টি হলো সবুজ আতসবাজি।

    আরো নতুন নতুন পোস্ট পড়তে হলে এখানে ক্লিক করুন 👈

    সেইক্ষেত্রে এই সবুজ আতশবাজি টি বিপদের আশঙ্কা অনেক কম। তাই এই আতশবাজিটির উপর অনেক জোর দিয়েছেন সকল ব্যবসায়ীরা। তবে এইদিকে গোটা ভারতবাসীরা মেতে উঠেছেন কালীপুজো অর্থাৎ দীপাবলির জন্যে। তবে প্রতি বছরের মতো এই বছরও দূষণের কথা মাথায় রেখে বাজি ফাটানোর দিকে নির্দিষ্ট ডেসিবেল জারি করেন সরকার। তবে এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে আপনি জানলে অবাক হবেন।

    সেক্ষেত্রে অন্যান্য রাজ্যের সরকারও এই শব্দবাজি কমানো নিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সেইদিক থেকে এই শব্দের সীমা এক ধাক্কায় অনেক টা বাড়িয়ে দিলো বলে এটাও জানা গিয়েছে। তবে সম্প্রতি রাজ্য পরিবেশ দপ্তর ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পক্ষথেকেও আতসবাজি শব্দের পরিমাত্রা নিয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তাতে এই বছর আতসবাজি শব্দের মাত্রা প্রায় ৯০ ডেসিবেল থেকে বাড়িয়ে মাত্র ১২৬ ডেসিবেল করা হয়েছে।

    তবে কেনো শব্দের মাত্রা বাড়ানোর হলো? প্রায় অনেক মানুষের কাছে উঠেছে এই প্রশ্ন। তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ে ডেসিবেল বানানোর মূল উদ্যেশ্য হলো। এক্ষেত্রে পরিবেশ দপ্তর ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদরা কেবলমাত্র ডেসিবেল এর মাত্রা বৃদ্ধি করার যুক্তি। তবে সুপ্রিম কোর্টও এই সবুজ আতশবাজি ফাটানোর নির্দেশ জারি করেছেন।

    এছাড়াও ডেসিবেল এর মাত্রা বাড়ানোর জন্যে সুপ্রিম কোর্ট কোনোদিক থেকে বাধা দেই নি। তবে এই খবর টি শোনার পর গোটা দেশবাসী আতঙ্কে মেতে উঠেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও এই নির্দেশ টি জারি করেছেন বলে শুনানি হয়েছে বেশিরভাগ মানুষের মুখে। সেই জন্য আমরা সকলেই এই বাজি ফাটানোর মাত্রাটি বেধেদিলাম।

    এই ধরনের খবর পড়তে হলে আমাদের হোয়াটস্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন হয়ে যান।

    হোয়াটস্যাপ 👉জয়েন

    টেলিগ্রাম 👉জয়েন 

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *