Sun. Mar 3rd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

     

    বর্তমানে বর্ষা কালে এখন সব সময় জল ও কাদায় আমাদের হাঁটা হাঁটি করতে হয়। তাই এই সময় আমরা সবচেয়ে বেশী এই হাজার দ্বারা আক্রমণ হয়ে থাকি। তাই আজকে আমরা এই হাজা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া টিপস দোবো যা টোটকার মতো কাজ করবে। যে বন্ধুরা সবসময় জলের উপরে কাজ করেন তারাই বেশী এই হাজা আক্রমণ হয়। আজকে এই টিপস এ কোনো মেডিসিন নিতে বলবো না শুধুই আয়ুর্বেদিক টিপস। আপনি নিজেই করতে পারবেন কোনো কাউকে দরকার হবে না।

    লক্ষণ : হাত পায়ের আঙ্গুলে, নখের গোড়াতে বা সন্ধিস্থলে এই রোগ বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। প্রথম অবস্থায় চামড়াতে সাদা সাদা দাগ হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে। ঠিকমত সতর্ক থেকে চিকিৎসা না করালে ঐ ক্ষত হয়ে বেশ জটিলতা দেখা দেয়। আক্রান্ত স্থানে প্রচন্ড চুলকায়, ফুলে উঠে ও প্রচন্ড বিশ্রী দুর্গন্ধ বের হতে থাকে।

    কারণঃ বেশির ভাগ সময় জলে কাদায় কাজ করলে বা সন্ধিস্থল ঘামে ভিজে থাকলে হাজা হতে পারে। ইহা এক প্রকার চর্মরোগ। এই রোগ গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালে বেশি হয়ে থাকে। ইহা এক ধরনের ফাঙ্গাস জাতীয় ইনফেকশন।

    যদি নারীদের অন্তসত্ত্বা অবস্থায় হয় অথবা যে ব্যক্তির ডায়াবেটিস রোগ থাকে তাদের এই রোগ আক্রান্ত করে তা হলে ইহা সহজে আরোগ্য হতে চায় না।

    আরো পোস্ট পড়তে এখনো ক্লিক করুন 

    চিকিৎসা :

    ▪️বাবলা পাতাকে বেটে পেস্ট-এর মতো করে লাগালে সেরে যায়।

    ▪️এক চামচ কাঁচা হলুদের রস ও আধ চামচ বহেড়া গুঁড়ো সকালে খালিপেটে খাওয়া।

    ▪️আকন্দ পাতা বেটে সেই রস রাত্রে শোয়ার আগে লাগানো।

    ▪️দশ-পনোরোটি কিসমিস রাত্রে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ দিয়ে খাওয়া।

    ▪️শুকনো মনসা পাতা ও নারকেল মালা ভস্ম গুঁড়োর নারকেল তেল দিয়ে লাগানো।

    সাবধানতা অবলম্বন ও পথ্য : আক্রান্ত স্থানে যাতে বেশি জল না লাগে সেদিকে নজর দিতে হবে। ঔষধ প্রয়োগে আরোগ্য হলেও যদি জল কাদায় কাজ শুরু করলে পুনরায় রোগ দেখা দিতে পারে। মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। আজকের এই ছোট্ট টিপস যদি ভালো লাগে তবে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিবেন।

    তাড়াতাড়ি আমাদের পোস্ট পড়তে নিচে টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন হবেন ও ফেসবুক পেজ ফলো করবেন।

    টেলিগ্রাম লিঙ্ক 👉জয়েন হবেন
    ফেসবুক লিঙ্ক 👉ফলো করুন