Thu. Feb 22nd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    প্রাথমিক চিকিৎসা হইল চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্তর্গত একটি প্রাথমিক বিভাগ। এই শিক্ষায় পারদর্শী ব্যক্তিগণ যে কোন দুর্ঘটনায় কিংবা কোন ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হইয়া পড়িলে নিপুনভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা করিতে পারেন। তাহার ফলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়।

     

    জলেডোবা:- যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডুবে যাওয়া ব্যক্তিকে জল থেকে ডাঙায় তুলে এনে তার জামা কাপড় আলগা করে দিতে হয়। তারপর উপুড় করে তারই ডানহাতের ওপর তার কপাল রেখে শোয়াতে হয়। এবার তার বুকের নীচে একটা ছোট পাতলা বালিশ দিয়ে রোগীর নিচের দিকের পাঁজরের ওপর হাত রেখে তিন সেকেন্ড ধরে তার পিঠে চাপ দিতে হবে।

     

    তারপর রুগীকে পাশ ফিরিয়ে বামহাতের ওপর শুইয়ে আগের মতো পিঠে চাপ দিতে হবে তাহা হইলে তার পেটের জল বের হইবে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হইবে। শুকনো কাপড় বা গরম কম্বল গায়ে জড়িয়ে দিয়ে গরম জলের বোতলে করে পায়ের তলায় সেঁক দেওয়া এবং অল্প গরম দুধ বা চা খেতে দেওয়া উচিত।জল বের করার জন্য কখনও পা ধরে ঘোরানো উচিত নয়।

     

    গলায় দড়ি দিলে:-  যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি দেহটিকে ধরে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উপরের দিকে তুলে দেওয়া যাহাতে দড়ির টান কমে যায় এবং দড়ি কেটে দেহটাকে আস্তে আস্তে নামাতে হবে। অসাবধানতায় যেন ধুপ করে পড়ে না যায়। গলার দড়ি সাবধানে খুলে বা কেটে ফেলতে হবে। এরপর কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস দেবার চেষ্টা করতে হবে। দেরি হলে রোগী প্রায়ই বাঁচে না।

     

    রক্তপাতে:- অনেক সময় কোন ধারালো অস্ত্রে শরীরের কোন অংশ কেটে গিয়ে প্রচুর রক্তপাত হয়। ঐ অবস্থায় যত শীঘ্র সম্ভব দুর্বা ঘাস চিবিয়ে বা থেঁতো করে কাটা জায়গায় লাগিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। কালো কচুর ডাঁটা বিনা জলে বেটে কাটা অংশে বেঁধে রাখলে রক্ত বন্ধ হয়। কাটা জায়গা জোড়া লাগে এবং কোন দাগ থাকে না।

     

    মচকে গেলে:- হাত, পা বা শরীরের কোন অংশে যদি মোচড় লাগে (মচকে যায়)। আঘাত লাগা জায়গার কিছু ওপর থেকে নিচু পর্যন্ত শক্ত সোজা কোন কাঠ বা বাঁশের বাখারি দিয়ে ভালো করে ব্যান্ডেজ করে দিতে হয়। আপাং বেটে তার প্রলেপ দিলে খুব তাড়াতাড়ি মচকানো ব্যাথা ভাল হয়। নুন-হলুদ চুনে মিশিয়ে সামান্য গরম করে প্রলেপ দিলে ব্যাথা সারে।

     

    কোন বিষাক্ত গ্যাস বা ধোঁয়াতে দম আটকে গেলে:- প্রথমে একখানা ভিজে ন্যাকড়া দিয়ে নিজের নাক ও মুখ বেঁধে ফেলতে হবে। এরপর তাড়াতাড়ি ঐ স্থানে গিয়ে অসুস্থ ব্যক্তিকে খোলা জায়গায় নিয়ে এসে শুইয়ে দিতে হবে। চারিদিকে ভিড় জমতে দেওয়া উচিত নয়। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে না পারিলে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করিতে হবে।

     

    ইলেকট্রিক শক:- কেহ ইলেকট্রিক দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকিলে সঙ্গে সঙ্গে যদি সুইচ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব না হয়, তাহা হইলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করিতে গিয়ে যাহাতে নিজেও বিপদে না পড়েন সে জন্য সতর্ক থেকে যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি শুকনো কাঠ, বাঁশ, রবার বা কাঁচের তৈয়ারী যাহাতে তড়িৎ পরিবাহিত হয় না সেই বস্তু দ্বারা অথবা গ্লাবস পরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিতে হইবে। হাতের কাছে কিছু না পাওয়া গেলে শুকনো দড়ির ফাঁস করিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করিতে হয়।

     

    আমাদের এই ছোট্ট পোষ্ট পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে তবে একটা শেয়ার করে আমাদের ভালো করে দিবেন। আমাদের এই পোস্টি পড়ার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ 🙏🙏

     

    সতর্ক:- এই পোস্টির তথ্য ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত, কোনো কিছু না জেনে কাজ করতে যেও না। ভালো করে বুঝে বা শিক্ষা নিয়ে তবেই কাজ করবেন। কোনো রূপ ফলাফল এর জন্যে আমাদের সাইট দায়ী না। সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্ব করবেন। এই পোস্টটি শুধু লার্নিং এর জন্যে। 

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *