Sun. Mar 3rd, 2024

    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    বিষয় সূচি ~

    তেলাকুচা (Coccinia indica)

    ওষুধ হিসেবে ব্যবহার – মূল ও পাতা।

     

    মাত্রা-রস-১২ গ্রাম থেকে ২৪ গ্রাম অথবা চা-চামচ থেকে ৬ চামচ পর্যন্ত। মূলচূর্ণ—১ গ্রাম থেকে ৩ গ্রাম।

     

    তেলাকুচা (Coccinia indica)

     

     

    পরিচয়-তেলাকুচা প্রধানত দু-প্রকার। যার ফল খেতে তেতো তার নাম তেলাকুটা। আর যার স্বাদ মিষ্টি তাকে কেন্দরী বা কেন্দুরী বলে। সিংভূম থেকে আরম্ভ করে সমস্ত দাক্ষিণাত্যে কেন্দুরীর খুব প্রচলন। আমরা যেমন পটল ব্যবহার করে থাকি, সেসব দেশে তেমনই কেন্দুরী বা কুন্দরী ব্যবহার করে থাকে। এবং তারা এর রীতিমত চাষবাস করে থাকে। তেলাকুচার কাঁচা ফল তেতো তাই দেহের অনিষ্টকারী হলেও কেন্দুরীর মিষ্টি ফল উপকারী।

     

     গুণাগুণ ও প্রয়োগ-তেলাকুচা পিত্ত ও কফ প্রশমক। গা বমি-বমি ভাব নিবারক ও বমি প্রশমক। মধুমেহে এর পাতার রস ও মূলের রস বা চূর্ণ বিশেষ ফলপ্রদ। তেলাকুচা ফল পাকলে মধুর রস, গুরু, শীতবীর্য, বায়ু ও রক্তপিত্ত প্রশমক,স্তম্ভকারক, লেখনগুণ যুক্ত, রুচিপ্রদ এবং মলমূত্রের বিবন্ধতা জনক ও আধ্নানকারক অর্থাৎ পেটে বায়ুর সঞ্চার হয়ে থাকে৷

     

    প্রয়োগবিধি

     

    শিরঃপীড়া-তেলাকুচা পাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে রোদে গরম করে কপালে প্রলেপ দিলে মাথার যন্ত্রণা ভালো হয়। সারাদিন রোদ লাগিয়ে বা গরমের জন্য মাথা ধরলে তেলাকুচা পাতার রস কপালে প্রলেপ দিলে উপকার হয়। ওই রস একজিমা নামক চর্মরোগে বিশেষ উপকারী।

     

    জিভের ঘায়ে-তেলাকুচার কাঁচা ফল চিবিয়ে ফেলে দিলে জিভের ঘায়ে উপকার হয়। (ফলের রস গিলতে নেই)।

     

    রক্ত আমাশয়ে-চা-চামচের ৩-৪ চামচ তেলাকুচা পাতার রস একটা পাথরের বাটিতে রেখে একখণ্ড লোহা বেশ করে পুড়িয়ে লাল হলে সেই রসে ডুবিয়ে দিন। এতে রস গরম হয়ে উঠবে। এই রস ২ চা-চামচ ও আখের গুড় ৫ গ্রাম মিশিয়ে খেলে রক্ত আমাশয়ের উপকার হয়। এ ছাড়া কেন্দুরী (মিষ্টি ফল যার) পাতার রস চিনি মিশিয়ে তিনদিন খেলে আমাশয় আরোগ্য হয়।

     

    হাত-পা-জ্বালায়-তেলাকুচা পাতা ও ডগা বেশ করে হাতের ও পায়ের তলায় রগড়ালে জ্বালা প্রশমিত হয়।

     

    রক্তপিত্ত রোগে-পাকা তেলাকুচার ফল চিনি মিশিয়ে খেলে রক্তপিত্তের রক্ত পড়া বা জ্বালা অবশ্যই কমবে। এক্ষেত্রে মূল ও পাতার রসও প্রয়োগ করা চলে। তবে এর মাত্রা ৪-৬ চামচ খেতে হয়।

     

    মধুমেহে-তেলাকুচা পাতা বা মূলের রস ৪ চামচ সকাল ও বিকেলে সামান্য গরম করে খেলে মধুমেহে মূত্রে বা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে থাকে।

     

    সতর্কতা:- বর্তমান দিনে আমরা সবাই বিজ্ঞান এর উপরে নির্ভর শীল। তাই আমরা আর এই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা তে বিশ্বাস না। বিশ্বাস করলেও জানা নাই প্রয়োগ বিধান। এই পোষ্টটি ডাক্তার হওয়ার জন্যে না আর আমরা কাউকে বলছিও না যে ডাক্তার করবেন। শুধু শিক্ষা মূলক বিষয়ে এই পোষ্ট। সঠিক যাচাই করে এই তবেই প্রয়োগ করবেন। কোনো রূপ ফলাফল এর জন্যে আমরা দায়ী না। ধ্যনবাদ। 🙏🙏

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *