Sun. Mar 3rd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

     

    সাদা স্রাব ও অনিয়মিত মাসিক এর ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা।Some home remedies for white discharge and irregular periods.

    এই টিপস গুলো শুধু মাত্র মেয়েরা ব্যবহার করবেন। এই টিপস বা ছেলেদের জন্য না। প্রত্যেক বাড়িতেই মা,বোন এরা সবাই আছে তাই আজ আমরা জানি বা দেখে আসছি বর্তমান বোন বা মা রা সাদা স্রাব বা মাসিকের সমস্যাই প্রচুর ভুগছেন। কিন্তু বর্তমান এলোপ্যাথিক চিকিৎসা তে এই রোগ তো ক্ষণিক এর জন্য ঠিক হয়,কিন্তু পরে আবার হয় । আর আমরা জানি যে এলোপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করলে আমাদের শরীর এর প্রচুর ক্ষতি হয়।

    তাই মেয়েদের এই রোগ ঠিক করতে হলে আয়ুর্বেদিক ও ভেষজ গাছড়া কিছু টিপস দিলাম। অবশ্যই ওই রোগ ঠিক করতে হলে এই ঘরোয়া টিপস ব্যবহার করে দেখুন।

              কম বয়সী মেয়েদের সাদা স্রাব হলে:-

    ১৷ আধ চামচ চিনি, আধ চামচ বট পাতা গুঁড়ো ও এক চামচ অশােক ছাল একবার করে খাওয়ান।

    ২৷ আধ চামচ মৌরী, আধা চামচ জোয়ান ও দশটি নিমপাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে যােনি ধোওয়ান।

    ৩৷ চারটি ডালিম ফুল বেটে একচামচ আখের গুড় ও আধ চামচ সাদা চন্দন গুঁড়াে এক কাপ দুধ দিয়ে খাওয়ান।

    ৪৷ অতিরিক্ত সাদা স্রাব হলে এক গ্রাম যজ্ঞ ডুমুরের ছাল ও দুই গ্রাম শিমূল ছাল গুড়াে ভিজিয়ে সেই পানি দিনে একবার খাওয়ান ।

                মাসিকের সময় পেটে ব্যথা ও ঠিকমতাে স্রাব না হলে

    ১৷ অশােক ছাল আধ চামচ, সহদেবী আধচামচ পানিতে সিদ্ধ করে একদিন অন্তর খাওয়ান |

    ২৷ চার চামচ উচ্ছে পাতার রস গরম পানি দিয়ে খাওয়ান ।

    ৩৷ এক গ্রাম হরিতকী গুড়াে, গরম পানিতে ভিজিয়ে রাত্রে শােবার আগে খাওয়ান।

    ৪৷ আধ চামচ মেহেন্দি ও আধ চামচ ওলট কম্বল ও পাচটা লবঙ্গ গরম পানিতে দিয়ে খেলে কোমরের ব্যথাতে বিশেষ উপকার করে।

                                             যােনিতে চুলকানি হলে

    ১৷ আধ চামচ করে অশ্বথ ও অশােক ছাল এবং নিশিন্দা পানিতে ফুটিয়ে তাতে যােনি ধােওয়ান।

    ২৷ আধ চামচ কুল গুঁড়াে ও এক চামচ আখের গুড় দিনে দুই বার পানি দিয়ে খাওয়ান।

    ৩৷ যােনিতে বৃহতী ফলের রস লাগান।

    ৪৷ নিমপাতা বেটে যােনিতে প্রলেপ দিলে এই রােগ সেরে যায় ।

    ৫৷ পানি ফুটিয়ে ঐ পানিতে অল্প ফিটকিরি মিশিয়ে যােনি ধােওয়ান ।

    রােগাটে চেহারায় মাসিক ঠিক মতাে হয় নাঃ- চার চামচ থানকুনি পাতার রস ও এক গ্লাস দুধ দিনে একবার করে খাওয়া উচিত ।

    মৈথুনের সময় বুকে ব্যথা ও যােনিতে যন্ত্রণা হলে:-  চার চামচ ওলােট কম্বল ও চারটে বাতাসা এক বার করে খাওয়া।

    মিলনের সময় যৌনবােধ না হলে:- এক গ্রাম কাঁচা সুপারি ও এক গ্লাস দুধ প্রতিদিন খাওয়ান।

    মিলনে বিরক্তিভাব:- আধচামচ করে অশােক, নিশিন্দা ও কুড় পানিতে দিয়ে খাওয়ান।

    মৈথুনের পরই মানসিক ও শারীরিক ভাবে ঝিমিয়ে গেলে:- একশত গ্রাম শসা বাটার সাথে মিছরি ও কপূর দিয়ে শরবত করে খাওয়ান।

    প্রতিমাসে ঋতু বন্ধ হবার পরই প্রচণ্ড সেক্সি হয় ও মেজাজ খিটখিট থাকে:– আধ চামচ জটামাংসী গুঁড়াে ঘি দিয়ে খাওয়ান।

    বুকের দুধ কম থাকলে:- চারটি পালতে মাদার পাতার রস ও নারকেল বাটা এক চামচ মিশিয়ে দিনে একবার খাওয়ান।

    * আধ চামচ করে মৌরী, আমলকী, নিশিন্দা পানিতে ফুটিয়ে দিনে একবার করে খাওয়ান।

    কোমরে ব্যথা:- ঋতুকালে প্রায়ই হয়। দশগ্রাম কমলালেবুর খোসা,দুই গ্রাম করে হিং ও গোলমরিচ চূর্ণ করে তার সাথে পঞ্চাশ গ্রাম কালাে তিল ভাজা দিয়ে পাচন করে সাত দিন খেলে সেরে যাবে।

    * তারপিন তেল ও তিল তেল মিশিয়ে কোমরে মালিশ করলেও ব্যথা চলে যায় ।

                                                গর্ভপাত (Abortion)

    পর্তপাত রােধে নীচের ভেষজগুলাে বিশেষ উপকার করে থাকে

    *তিন-চারটে পদ্মবীজ শরবত করে দু-তিন দিন অন্তর বেশ কিছু দিন খাওয়া।

    * এক চামচ চিনি অধচামচ করে মেথিগুড়াে ও গাওয়া ঘি এক কাপ গরুর দুধ দিয়ে খাওয়া ।

    * গরুর দুধ এককাপ, চিনি এক চামচ, যষ্টি মধুর গুঁড়াে আধ চামচ ও গম্ভীর গুড়াে আধ চামচ দিনে একবার করে খাওয়া।গর্ভপাতে সহায়তা করে।

    * কাঁচা বা আধপাকা আনারসের রস দুই গ্লাস করে খেতে হবে।

    * কাঁচা পেঁপের আঠা ৪/৫ চামচ ও গােরক্ষচাকুলে ২ চামচ এক কাপ গরম দুধ দিয়ে খাওয়ান ।

    * সজনের আঠা ও সজনের শিকড়ের রস গর্ভপাত গটায়।

    জন্মনিয়ন্ত্রণে

    ব্যবস্থা:- ৪টি ভাঙ্গ, ৪টি গোলমরিচ ও কয়েক টুকরাে ঝাল পানের শিকড় বেটে ঋতুকালীন ময়ে ৭ দিন সকালে খেলে জন্মনিয়ন্ত্রণ হবে ।

    স্তন রােগ, চিকিৎসা ও স্তন পরীক্ষা

    মেয়েদের স্তনের নানাবিধ রােগ ও সমস্যা আছে তার মধ্যে স্তনের ব্যথা ও ইনফেকশন জাতীয় কয়েকটি সাধারণ রােগ ছাড়া যে সমস্যাটি বেশি ভাবিয়ে তোলে তা হচ্ছে স্তনের ক্যানসার। তাই নিম্নোক্ত বিষয়ে বিশেষ লক্ষ্য রাখা প্রয়ােজন। স্তনের গঠন স্বাভাবিক আছে কিনা।

    *স্তনের ভেতরে কোন রকম শক্ত মাংস পিণ্ড হচ্ছে কিনা। শক্ত মাংস পিণ্ড বা টিউমার থেকেই ক্যানসারের উৎপত্তি হতে পারে ।

    স্তনের বোঁটা থেকে কোনও রকম রস ক্ষরণ হয় কিনা।

    সন্দেহজনক মনে হলে স্তনের আক্রান্ত স্থান থেকে টিস্যু নিয়ে বাইওপিন্স টেস্ট করা।

    এছাড়া বংশে কারও ঐ জাতীয় রােগ ছিল কিনা জানতে হবে। তাহলে প্রথম থেকেই সতর্ক থাকা উচিত।

    স্তন বৃন্ত ভেতর দিকে ঢুকে যাচ্ছে কিনা।এক দিকের স্তন হঠাৎ আকারে ছোট বা বড় হয়ে যাচ্ছে কিনা।

    এই রোগটি ধারণত ৪০-৪৫ বছর পরই বেশি দেখা দেয় এবং মেনােপজের পর এই রােগের সম্ভাবনা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রথমে বুকে একটা বেদনাহীন মাংস পিণ্ড হতে ঠেকে এবং ধীরে ধীরে সেটি বাড়তে থাকে। এই সাথে বগলের নীচে কিংবা কণ্ঠহির উপরের লিম্প গ্রান্ড জড়িত হয়ে পড়ে এবং তার বৃদ্ধি দেখা যায়। স্তন বোঁটা থেকে স্রাব ক্ষরণ হওয়া বিশেষত রক্তক্ষর’ হওয়া এই রােগের বিশেষ লক্ষণ।

    স্তন ঝুলে পড়লে:- প্রচণ্ড ব্যথা হলে ও এক চামচ পরিমাণ হলুদ,ধতুরা পাতা, আমলকী, আম আঠা গরম করে স্তনে লাগানাে উচিত।

    স্তনের বোঁটা ফাটা:– চুলকানি ও এক চামচ করে কুলগুঁড়াে ও গাম্ভীর বার খাওয়া।

    ছােট স্তনকে বড় করবার জন্য:- সমপরিমাণ আমলকী, গাম্ভীর,লজ্জাবতী ও তিল তেল দিয়ে ফুটিয়ে ঐ তেল নিয়ে মালিশ করা।

    স্তন অতিরিক্ত বড় হলে কমাবার জন্য:- সমপরিমাণ কুল ও মুসুর ডাল বাটা স্তনে আধ ঘণ্টা লাগিয়ে রাখা।

    স্তনের গঠন ঠিক রাখতে:- আধ চামচ কুড় ও গাম্ভীর এবং দুই চামচ শতমূলী দিনে একবার পানি দিয়ে খাওয়ান।

    স্তনের ঠুনকো:- স্তনে প্রচণ্ড ব্যথা হয় ও ফুলে ওঠে। ধুতরা পাতা ও হলুদ একত্রে বেটে প্রলেপ দিলে সেরে যায়।

    সুডৌল স্তন তৈরি করতে:-  পর পর সাতদিন শােয়ার আগে বেদানার খােসা বেটে প্রলেপ দিলে শিথিল স্তন দৃঢ় ও আকর্ষণীয় হয়।

    রােগের লক্ষণ:- স্তন ফুলে ওঠে, স্তনের বৃন্ত রক্তবর্ণ হয়, প্রচণ্ড ব্যথা হয়, গরম ও শক্ত হয়।

    রােগের চিকিৎসা:- ১০ গ্রাম ধুতুরা পাতা ও ১০ গ্রাম আদা বেটে স্তনের উপর প্রলেপ দিলে রােগ সারে।


    স্তনরক্ষা

    প্রথম ঋতুর প্রথম দিনের রক্ত স্তনদ্বয়ে লাগলে স্তনদ্বয় চিরদিন পিরামিডের মতাে হয়ে থাকে।

    অনিয়মিত ঋতু

    রােগের কারণ:- স্বাস্থ্যহীনও রুগ্ন মহিলাদের নিয়মিত ঋতু হয় না যা ২৮ দিন অন্তর হওয়া বাঞ্ছনীয় ।

    রােগের লক্ষণ:- একবার টিক সময়ে হয়, আবার ২ এক মাস হল না,আবার হঠাৎ একদিন হল এটাই অনিয়মিত ঋতু।

    রােগের চিকিৎসা:- ৪-৫ টি জবা ফুলের কুঁড়ি পানি দিয়ে বেটে তার সঙ্গে পুরনাে আখের গুড় মিশিয়ে ঋতুকালীন সময়ে সকালে ৭ দিন খাবেন এতে নিয়মিত ঋতু হয় ।

    পথ্যাপথ্য পুষ্টিকর ও ভিটামিন যুক্ত খাবার খাবেন।

    তথ্য সংগৃহিত আদিম বই ও ইন্টারনেট থেকে।

    সতর্কতা:-প্রত্যেকটি টিপস প্ৰয়োগ করার আগে অবশ্যই ভালো করে যাচাই করে নেবেন। প্ৰয়োগ সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *