Sun. Mar 3rd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    বিষয় সূচি ~

     রসুন এর উপকারিতার কোনো তুলনা হয় না।

    রসুন এর নাম শুনেনি এমন কোনো লোক নাই এই দুনিয়ায়। আমরা সবাই জানা যে রসুন শুধু রান্নার কাজেই ব্যবহার হয়ে থাকে। আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন কাঁচা রসুন এর গুনাগুন। ১০০ থেকো বেশী রোগ নির্মূল করে থাকে এই রসুন। আজকে আমরা এই রসুন এর কিছু রোগ নির্ণয় এর উপায় দেখবো।

    পরিচিত:- রসুন একটি গুলম জাতীয় উদ্ভিদ। এর কান্ড পর্দা যুক্ত গাছের মূল থেকে অনেক সরু সরু শেকড় বের হয়। কান্ড আবার কোষ যুক্ত। পাতা চেপ্টা ও পুষ্প দণ্ডের ঠিক মাঝে খান থেকে বের হয়। আর পুষ্প দন্ড খুবই নরম। সাধারণত শীতকাল এ ফুল হয় ও পরে ফল হয়।

    রসুনের নাম :- রসুন এর অনেক নাম আছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন নাম আছে। কিছু নাম দিলাম – লসুন, রসন, অরিষ্ঠ, রসনক ইত্যাদি।

    জাত :- রসুন এর কোনো জাত হয় না। হাটে বাজারে বহু কোয়া বিশিষ্ট ও একা কোয়া বিশিষ্ট রসুন দেখতে পাওয়া যায় তা কিন্তু একই জাত যা সারা ভারত ও বাংলাদেশ এ চাষ হয়ে থাকে। শুধু আলাদা আলাদা করে বাজারে বিক্রি করে থাকে চাষীরা।

    এবার জানা যাক রসুনে রোগ কেনো ভালো হয় :-

     আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা আছে  বায়ু,পিত্ত ও কফ, এই তিনটি বেশি হলেন শরীরের রোগ জন্মায়। এবার দেখতে হবে কি কি কারণে এই তিনটি জিনিস শরীরের বেড়ে যায়। পুরো বলতে গেলে বিরাট একটা ইতিহাস লিখতে হবে সহজেই বলছি শোনো। এই বায়ু, পিত্ত, কফ, এই তিনটি বাড়ে তার জন্যে আমরাই দায়ি। বিশেষ করে অনিয়ম এর জন্যে আমাদের এই তিনটে জিনিস বেড়ে যায় এবং আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি। নীচে কিছু রোগ মুক্তির উপায় দেওয়া হলো।

    রসুন এর উপকারিতা: যেকোনো ফোঁড়া একদিনেই শেষ হবে

    ঘা,ফোড়া,কাটা,ছেঁড়া সহ বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ,গলিত কন্ঠ, বিষধর সাপে কাটা,পাগলা শিয়াল কুকুর এবং নানা ধরনের বিষাক্ত পোকা-মাকড় কামড়ালে কাঁচা রসুনের রস, ক্বাথ, রসুন তেল ইত্যাদি বিশেষ উপকারী। অবশ্যই এর সঙ্গে কাঁচা রসুনও খেয়ে যেতে হবে। যাদের দাঁত নেই তারা শিলে রসুনকে থেঁতো করে। তারপর রসুনের রস বার করে সেই রসটা খাবেন।

    উদরী,পেট ফাঁপা,সর্দি,মাথাধরা,দাঁতে যন্ত্রণা,গলাভাঙা,সায়াটিকা, নানা ধরনের বাত প্রভৃতি রোগে রসুন ভালো কাজ দেয়। পেটে হঠাৎ গ্যাস জমে গেলে,নতুন অথবা পুরাতন ব্রংকাইটিস, হাঁপানী, শ্বাসযন্ত্রে ঘা, যক্ষ্মা রোগও (অবশ্য প্রথম দিকে) রসুনে সেরে যায়। একমাত্র কাঁচা রসুনের রস ব্রংকাইটিসের গাঢ় কফকে তরল করে সেই সঙ্গে কফের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে।

    রসুন এর উপকারিতা: যেকোনো ফোঁড়া একদিনেই শেষ হবে

     

    এসব গেল রোগ ভালো করার কথা। এবার দেখা যাক রসুন ব্যবহার করলে আমাদের কি ধরনের রোগবালাই হয় না। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা করে দেখেছেন যে যদি কোন মানুষ নিয়মিত রসুন খেয়ে যান তবে হৃদরোগ,অজীর্ণ অরুচি, অগ্নিমান্দ্য, কৃমি, অর্শ, অবগা, পেটের মেদ, আমবাত,চোখের পীড়া প্রভৃতি রোগ হয় না। রসুন খাবার পরেও যদি ঐ সমস্ত রোগের আক্রমণ ঘটে তবে রোগের বৃদ্ধি ঘটে না এবং সুচিকিৎসা সময় থাকতে করলে রোগ চিরদিনের মত সেরে যায়। মোট কথা রসুনের এত গুণ রয়েছে যে তা এই সামান্য জায়গায় লিখে শেষ করা যায় না।

    ওষুধ তৈরি করার পদ্ধতি
    ফোঁড়ায়

    এই নিয়ম তা বিশেষ করে ফোঁড়া হলো ব্যবহার করবেন। অবশ্যই ভালো রেসাল্ট পাবেন।

     

     

    গরম অথবা শীতকালে শরীরের কোন অংশে ফোড়া উঠলেই সেই জায়গায়  রসুনের ক্কাথ দিয়ে গরম অবস্থায় সেঁক্ দিতে হবে এরপর যে জায়গাটায়ফোঁড়ার মুখ হবে বলে বুঝতে পারা যাবে সেই খানটা খোলা রেখে রসুনের রসে ভেজানা তুলো চারিপাশে লাগিয়ে ব্যাণ্ডেজ বেঁধে দেওয়া দরকার। সকাল সন্ধ্যাবেলায় ব্যাণ্ডেজ পাল্টে নতুন ব্যাণ্ডেজ দেওয়া উচিত। এইভাবে তিন-চারদিন ব্যান্ডেজ বাঁধার পর ফোড়া ফেটে যাবে।

    এর সঙ্গে আরও একটি কাজ অবশ্যই করা দরকার। অবশ্য যদি ফোড়া ফেটে যায় তা হলে কিছু করার দরকার নেই। যদি না ফাটে তবে রসুন রসেতে তুলো ভিজিয়ে ব্যাণ্ডেজ বাঁধা হচ্ছে সেইভাবে বেঁধে চায়ের চামচের আধ চামচ রসুনের রসনেবেন।

    রসুন এর উপকারিতা: যেকোনো ফোঁড়া একদিনেই শেষ হবে

     

    রসুন নিয়ে তাতে ৮ থেকে ১০ ফোঁটা মধু মিশিয়ে দিয়ে একবার করে খেতে দিতে হবে। এইভাবে নিয়ম করে ব্যাণ্ডেজ ও রসুন রসে মধু মিশিয়ে খেলে হয় ফোড়া ফেটে যাবে নতুবা বসে যাবে। যদি ফোঁড়া ফেটে যায় তবে রসুনের কাথে ফোড়া পরিষ্কার করে একবার ধুইয়ে দিয়ে ২ থেকে ৩ বার সেঁক দেওয়া উচিত। ঘা যে পর্যন্ত শুকিয়ে না যায় ততদিন ক্ষতস্থানে দিনে দুবার করে সামান্য গরম অবস্থায় রসুন তেল ক্ষততে দেওয়া দরকার।

    অবশ্য ঘায়ে যাতে মাছি বা অন্যান্য কীট না বসে এবং ধুলোবালি না লাগে তার জন্য ক্ষতস্থান ব্যাণ্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে। তবে রসুন তেল তৈরি করবার জন্য যে তেল ব্যবহার করা হবে তা যেন খাঁটি হয়। তা না হলে ঘা বিষিয়ে যাবার আশংকা থাকবে। খাঁটি সরষের অথবা নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারলে ভালো হয়। অনেকে তিল অথবা রেড়ি তেল ব্যবহার করেন। তবে সেটা না করাই উচিত।

    সতর্কতা :- যে কোনো টিপস প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই ভালো করে যাচাই করবেন। কোনো রূপ রেসাল্ট এর জন্যে আমরা দায়ী না। প্রয়োগ নিজের দায়িত্ব তে।

     

    • রসুন এর উপকারিতা।
    • রসুন।
    • রসুন এর গোপন ব্যবহার।
    • রসুন এর বিভিন্ন কার্যকরীতা।
    • রসুন এর কাজ।
    • Rosun er karjakarita.
    • Rosun tree.
    • Losun benefit in bengali
    • রসুন খাওয়ার নিয়ম।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *