Sun. Mar 3rd, 2024
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

     

    হটাৎ বদ হজম হলে কি করবেন দোখুন 👍 নিচে দেওয়া হলো পড়ুন 🙏

     

    বেশি বয়সেও যদি সুস্থ থাকতে চান এই টিপসগুলো মেনে চলুন |tips to stay healthy even in old age

     

     

    (১) ভাত খেয়ে বদহজম হলে জোয়ান ও বীট লবন খেতে হবে।

    (২) ডাল খেয়ে বদহজম হলে জোয়ান ও লবন খেতে হবে।

    (৩) মাছ খেয়ে বদহজম হলে কাজি পানি খেতে হবে ।

    (৪) মাংস খেয়ে বদহজম হলে জোয়ান ও লবণ খেতে হবে।

    (৫) রুটি খেয়ে বদহজম হলে ঠান্ডা পানি খেতে হবে।

    (৬) পিঠে খেয়ে বদহজম হলে বেশি করে ঠান্ডা পানি খেতে হবে।

    (৭) পায়েস খেয়ে বদহজম হলে কাঁচা মুগডাল চিবিয়ে খেতে হবে।

    (৮) নারকেল খেয়ে বদহজম হলে চাল খেলে উপকার হবে।

    (৯) দুধ খেয়ে বদহজম হলে ঘােল খেলে উপকার হবে।

    (১০) খিচুড়ী খেয়ে বদহজম হালে সৈন্ধব লবন খেতে হবে।

    (১১) ঘুগনী খেয়ে বদহজম হলে হরিতকি খেতে হবে ।

    (১২) কুল খেয়ে বদহজম হলে গরম পানি খেতে হবে।

    (১৩) কাঁঠাল খেয়ে বদহজম হলে কাঁঠাল বিচি বা কলা খেতে হবে।

    (১৪) কলা খেয়ে বদহজম হলে লবন খেতে হবে ।

    (১৫) তালশাঁস খেয়ে বদহজম হলে চাল খেতে হবে।

    (16) জাম খেয়ে বদহজম হলে হরিতকি খেতে হবে।

    (১৭) ঘি খেয়ে বদহজম হলে গোড়ালেবু খেতে হবে।

    (১৮) তেলেভাজা খেয়ে বদহজম হলে জোয়ান ও লবন খেতে হবে।

    (১৯) মাখন খেয়ে বদহজম হলে ত্রিফলার পানিকে উপকার হবে।

    (২০) লুচি খেয়ে বদহজম হলে পিপুলচূর্ন খেলে উপকার হবে।

    (২১) মালপােয়া খেয়ে বদহজম হলে জোয়ান খেতে হবে ।

    (২২) সুজির হালুয়া খেয়ে অজীর্ন হলে  পানি খেতে হবে।

    (২৩) মদ খেয়ে অর্জন হলে তেতুল খেতে হবে।

    (২৪) তৈলাক্ত দ্রব্য খেয়ে বদহজম হলে আমানি খেতে হবে।

    (২৫) মধু খেয়ে অর্জীর্ন হলে পিপুল চূর্ন খেতে হবে।

    (২৬) আম খেয়ে বদহজম হলে মিছরী খেতে হবে।

    (২৭) লেলা খেয়ে অজীর্ন হলে মৌরী খেতে হবে।

    (২৮) কুমড়াে খেয়ে বদহজম হলে আদা খেতে হবে।

    (২৯) লবন খেয়ে বদহজম হলে আমানি খেতে হবে।

     

        ৪০ বৎসর বয়সের পর থেকে সাবধান

     

    ৪০ বছর বয়সের পর বােয়ালমাছ, কাঁকড়া, কাচানুন, ডালেরবড়ি,ডিম, বেগুন, চিংড়মাছ, ইলিশ মাছ, বিভিন্ন নােনা পানির মাছ খাবেননা এগুলি বিভিন্ন রােগের সৃষ্টি করে। এই বয়সে নিরামিষ ভােজন কৰ্তব্য।

     

    নিরামিষের মধ্যে যা যা খাবেন:- গরুর দুধ, ছানা, কাঁচা ডিম, আম,শাপলা, কচুর লতি, চালকুমড়াে, থােড়, মােচা, কাঁচা কলা, ডুমুর, সজনে ডাটা, ছাঁচি পেঁয়াজ, টকদই, মানকচু এবং ওল ।

    রােজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে একচামচ মধু খাবেন। শুধু ডাল কখনও খাবেন না। সাথে। একটু কিছু সবজি অবশ্যই দিবেন । যেমন-উচ্চে, করলা, কাঁচাকল’,পেঁপে, পটল, সজনে ডাঁটা, ঝিঙ্গে, লাউ, মুলাে ইত্যাদি। ডালের মাঝে একটাই ডাল খাবেন না আর সেইটা হলাে খেসারীর ডাল। তাতে রােগ বাড়ায়।

     সিমে আমাশয় বৃদ্ধি পায়। যাদের ব্লাডসুগার আছে ভাের বেলায় খালি পেটে হাটা অবশ্য করনীয়। পরে দশবারোটা চাল এবং দশবারােটা তুলসীপাতা বাসী পানিসহ সেবন অথবা কাঁচা লঙ্কা ফালি করে কেটে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি খেলে ও উপকার পাবেন। কাঁচা ছােলা ভেজান পানি ও খেতে পারেন। মাটির অথবা পাথরের পাত্রে ভেজালেই উপকার বেশী।

     

    যাদের শরীর থেকে প্রচুর ক্ষয় হয়েছে এবং খুব অল্প বয়স হতে ক্ষয় শুরু হয়েছে তাদের উচিত দৈনিক একটা করে দেশি টমেটো (হাইব্রীড না হলে ভালো হয়) বিনের তরকারী, মূলাশাক, একচামচ করে মধু বা কাঁঠালী, কলা,টকদই, পাট শাক, ঢেড়স ডালে দিয়ে খেলেও উপকার হয়। খেজুর খেয়ে দুধ বা আখ রােট খেয়ে বাদাম খেয়ে দুধ খেলেও উপকার হয়ে থাকে।

     

    ৪০ বয়স হলে আটা চেলে খাবেন না। বেশী উপকার হয় আট না চেলে খেলেই। প্রত্যেক ৭ দিন অন্তর একদিন দুধ আর খই খাবেন । দুধ,খই, আখের গুড়, ভীষন উপকারী । রুটি দুধে ভিজিয়ে খেলে বেশ উপকার। শক্ত ভাত অর্শরােগীরা খাবেন না। দৈনিক মলত্যাগের পর যদি নারকেল তেল ব্যবহার করেন তাহলে ভাল হয়ে যাবে । ভাল নারকেল তেল ব্যবহার করবেন ।

    হাইপ্রেসার রােগীরা দৈনিক খুব সকালে হাঁটাহাটি করুন তাহলে উপকার পাবেন। নদী বা পুকুরে ডুব দিয়ে গােসল করলে উপকার হয় । বিশ্রামের প্রয়ােজন বেশী লাে-প্রেসার রােগীদের । না খেয়ে একদম থাকবে না। আর পরিশ্রম ছাড়াও হজম হওয়া সম্ভম নয় এবং পরিশ্রম ব্যতিত বেশি করে খাওয়া-দাওয়া করলে অম্বল রােগ হবে। ঘাড় ব্যথা,পিঠে ব্যথা পেট ফাঁপা ছ্যাবড়া ইত্যাদি হবেই হবে ।

     

    দিনের বেলা ঘুমাবেন না। রাতে আহারের পর আধঘন্টা হাটাহাটি করে এরপর ঘুমাতে যাবেন। আর যদি পায়খানার রং কালাে হয়ে গেলে ডিম আর খাবেন না। খেয়াল রাখবেন, বেশী ভাজাভুজি খাবেন না। প্রচন্ড অম্বল হয় যাদের তারা স্যালাড খাবেন । প্রায় সময় টক জাতীয় খাবার খাবেন। এসিড যেমন ময়লা পরিস্কার করে টক তেমনি পেট পরিষ্কার করে। যেমন চালতার টক, ছােট আমড়া,বিলাতী আমড়া, করমচার টক, জলপাইয়ের টক, টক দই প্রভৃতি।

    বাত যাদের আছে তারা মেঝেতে ঘুমাবেন না এবং ডিম আর ভেঁড়ার মাংস খাবেন না, দৈনিক গােসলের পূর্বে সকল জয়েন্টে তেল মালিশ করে গােসল করবেন। যেমন হাটু, কোমর, গোড়ালি বা যেখানে বাতের ব্যথা আছে সেইখানে। সকল মানুষের উচিত কম করে হলেও ২/৩ মাইল হাটা। আর যারা দোকানদার মানুষ বা চেয়ারে বসে কাজ-কর্ম করে কেন না তাদের জন্য হাটা প্রয়োজন। সব বাচ্চাদের স্যালাউ খেতে দিবেন । তাতে হাঁটার শক্তি ঠিক বাড়ে।

    যাদের গরুর দুধ সহ্য হয় না তারা ছানা তৈরী করে তার পর খাবেন,মুরগীর মাংস ব্যতীত অন্য কোন মাংস খাবেন না। পারলে দুপুরে ভাত এবং রুটি মিশিয়ে খাবেন। রাত্রে ভাত খাবেন না। দুপুরে খাওয়ার পর এক খিলি সাদা পান সর্বদা খেলে উপকার পাওয়া যাবে। জর্দা, শুটকা,কিমাম, দোক্তা ভাজা সুপারী বর্জন করুন।

     

    পানের সাথে খয়ের খাবেন এতে চর্ম রােগের উপকার হবে পানের সাথে চুন খাবেন এতে অতিরিক্ত কৃমি নাশ হয় অতিরিক্ত মদ্যপান ও রাত্রি জাগরন নিষিদ্ধ। ভারী বয়সে অত্যাধিক খাওয়া হার্টের পক্ষে ক্ষতিকর। যাঁদের হাঁপানি রােগ আছে-(১) বেশী কথাই না বলা ভাল (২) কাঁকড়া খাবেন ।

                    নীচে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো

     

    যে মাছের গায়ে আঁশ নেই সেইসব মাছ রাত্রে খাবেন না এতে নানা রকমের রােগ হয়। ইলিশ মাছ পরপর কয়েকদিন খাবেন না এতে যে রােগ ভাল হয়ে গেছে সেই রোগ আবার আক্রমন করতে পারে সে জন্য ইলিশ মাছ পরপর কয়েকদিন খেতে নেই ।

    পেটকে ঠান্ডা রাখুন, বাসী কুজোর জলেতে দুই চামচ ছোলার ছাঁতু, দুই চামচ যবের ছাতু ও ২টি লাল বাতাস দিয়ে সকালে খেলে উপকার হয়। তবে একঘন্টা চা কিংবা কফি খাবেন না। গরম পানি আর পাতি লেবুর রস এক সাথে মিশিয়ে সকালে খেলে ও বহু রােগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় লক্ষ রাখবেন বাচ্চারা ভাত খাবার পর যেন পানি খায়। পানি কম খেলে খারাপ হয়ে যায়। এতে বিকলাই রােগ হয়ে থাকে।

     বিকলাই রােগের জন্য ও বেশী করে পানি খাওয়া উচিত। লক্ষ্য রাখবেন যেন বাচ্চা রেগে রাত্রে না খেয়ে না ঘুমায়। পরপর কয়েকদিন যদি রাত্রে না খেয়ে ঘুমায় তবে তার বড় রকমের রােগ হলেও হতে পারে। যাদের পলিও হয়েছিল বর্তমানে ভালাে হয়ে গেছে, সেই বাচ্চাদের বিশেষ করে নজর দেওয়া উচিত।

    যে সমস্ত প্রসূতি মায়েদের অম্বল রােগ আছে তারা যেন বুকের দুধ বাচ্চাদের না দেয়। তাতে বচ্চাদের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। পাঠার নাড়ীভূড়া অল্প মসলা দিয়ে বা বিনা মসলায় খেলে ও উপকার হয়ে থাকে। বিশেষ করে গ্যাস্টিক রােগীদের জন্য !

     যাদের প্রসাবে ভীষন দুর্গন্ধ হয় তাদের প্রচুর পরিমানে জল খাওয়া উচিত। যদি সম্ভব হয় একটু পাতি লেবুর দিয়ে খেলে আরো ভাল হয়। নাভিতে তেল দিয়ে গােসল করলে ঠোঁট গােড়ালি ও শরীরের আরও বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেনা। হাঁপানি রুগীদের বিড়ি সিগারেট খাওয়া বন্ধ না করলে অসুবিধা । ভাল হওয়া অসম্ভব। একটু open Air একান্ত প্রয়ােজন।

    ভােরবেলা খালি পায়ে হাঁটা দরকার । বাচ্চাদের বেশী রং দেওয়া। মিষ্টি দেবেন না। রং দেওয়া কমলাভােগ, বোঁদে, মিহিদানা,রঙ্গীন জেলী ইত্যাদিতে কিডনী ভীষন ভাবে ক্ষতি হয়। পাকা বেল বিচি সমেত খেলে ক্ষয় পুরন হয়। কাঁচা বেল পুড়িয়ে খেলে মেয়েদের বিভিন্ন অসুবিধা মুক্ত হয়।

    আঠা সমেত বেল খেলে পুরুষদের অক্ষমতা দুর করে। যাঁদের ভাত খাবার পরই পায়খানা পায় সে ক্ষেত্রে দুটো করে কাঁঠালী কলা সকালে পানি খাবারের সঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায় ।

     যাঁদের দিনের মধ্যে বেশী করে (৮-১০ বার পায়খানা হয় তাদের দুটো করে কলা চিড়ে ভাজা সহ সকালের পানে খাবারের সাথে খেতে হবে। তাতে ভীষন উপকার পাবেন এবং সূর্য উঠার আগে গোসল সেরে নিলে বহুঃরােগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। যেমন-হাইব্লাত প্রেসার, সুগার, লাে-প্রেসার ইত্যাদি।

    কলা পাতায় ভাত খেলে কমপক্ষে ২৮ টি রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। অবশ্যই কলা পাতা মেঝতে পেতে চান করে  ভাত খাবেন,চেয়ারে টেবিলে নয়। কলাপাতায় গরম গরম খাবার খেলেই বেশী উপকার ।

    দাড়িয়ে প্রসাব করা উচিত নয়, অন্তত দিনের শুরুতে এবং শেষে অর্থাৎ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে শােবার পূর্বে অবশ্যই বসে প্রসাব করবেন। সূর্যের দিকে মুক করে কখন ও প্রসাব করা উচিত নয়।

    এতে পুরুষের শুক্র দোষ দেখা দিতে পারে । যারা পেটের রােগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তারা সিম এবং ডিম কখনই খাবেন না। ভাঙ্গা ডিম কখনই খাবেন না। এতে সংক্রামক রােগ বৃদ্ধি করে। যাদের কালো পায়খানা হয় তাঁদের জন্য ডিম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। খাই খাই ভাবে কখনই চেহারা উন্নতি হয়না। দিবানিদ্রা শরীরে পক্ষে ক্ষতিকর । অসুস্থ রােগীদের কথা স্বতন্ত্র ।

     দিবন্দ্রিা অম্বল ডেকে আনে। যদের অম্বল রােগ আছে-খাবার খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট পর জল খাবেন । পানি যতটা বেশী খেতে পারবেন ততই ভালো। সকালে মাটির পাত্রে জোয়ান ভিজিয়ে রেখে দুপুরের খাওয়া দাওয়ার ২০ মিনিট পর সেই পানি খেলে উপকার পাবেন ।

    ধন্যবাদ এই সুন্দর পোস্টটি অন্যদের দেখার জন্য বা পড়ার জন্য প্রচুর শেয়ার করুন।

    সতর্কতা:- এই তথ্য ইন্টারনেট ও আদিম গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত যদি কোনো ভুল থেকে থাকে অবশ্যই জানাবেন কমেন্ট করে বা আর কোনো মেডিসিন বেবহার করার আগে অবশ্যই যাচাই করে নেবেন। যদিও প্রয়োগ করেন সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে। এতে আমরা দায়ী থাকবো না।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *