Mon. Feb 19th, 2024


    আপনাদের বাস্তুদোষ কাটতে এবং বাস্তুর নেগেটিভ এনাৰ্জি দূর করতে  আপনাদের সাহায্য করবেআপনাদের বাস্তুদোষ কাটতে এবং বাস্তুর নেগেটিভ এনাৰ্জি দূর করতে  আপনাদের সাহায্য করবে।
    WhatsApp Group Join Now
    Telegram Group Join Now

    আপনাদের বাস্তুদোষ কাটতে এবং বাস্তুর নেগেটিভ এনাৰ্জি দূর করতে  আপনাদের সাহায্য করবেআপনাদের বাস্তুদোষ কাটতে এবং বাস্তুর নেগেটিভ এনাৰ্জি দূর করতে  আপনাদের সাহায্য করবে।

     আজ আমরা আলোচনা করবো – নুনের কিছু ব্যবহার সম্পর্কে যা আপনাদের বাস্তুদোষ কাটতে এবং বাস্তুর নেগেটিভ এনাৰ্জি দূর করতে  আপনাদের সাহায্য করবে ।

    বাস্তুদোষ থাকলে  বাস করা গৃহে খারাপ শক্তি বা নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, এর ফলে আমাদের প্রতিনিহতাই  ঝগড়া অশান্তির সাথে আসে নানা কাজে ব্যর্থতা । কিন্তু যদি আপনি তবে শুধুমাত্র বাড়িতে থাকা নুনের কিছু ব্যবহার আপনার বাস্তুর নেগেটিভ এনার্জির পরিমান অনেকটা কমিয়ে আনতে পারে ।

    বহু যুগ থেকে বাস্তু দোষ নিবারণে নুন ব্যবহার করে আশা হচ্ছে নুন এর সঠিক প্ৰয়োগ জানতে এই ব্লগ টি ভালো ভাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন।

    নুন শুধুমাত্র  খাবারে স্বাদ কাজে লাগে তাই নয় । আমাদের শাস্ত্র মতাঅনুসারে নুন আমাদের জীবনে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি আনতে পারে । আর এটা শুধুমাত্র শাস্ত্র সম্পর্কিত কথা নয়, অত্যধুনিক বিজ্ঞানও নানা পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে নুনের এই চমৎকার গুনের কথা মেনে নিয়েছে ।

    নুন এর প্ৰয়োগ

    ১. এক বালতি জলের সাথে দুই চামচ নুন মিশিয়ে নিন,এবং সেই জল দিয়ে ঘর দর ভালো ভাবে পরিষ্কার করুন । লক্ষ্মী বার এবং রবিবার ছাড়া আর বাকি সব দিন আপনি এই কাজ করতে পারেন । কিছুদিন ধরে এরকম করলে দেখা যাবে ঘরের নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা অনেক কমে গেছে যা  আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ঘরের মানুষের আচরণ দেখে ।

    ২. মানসিক চিন্তা ও মনের রোগ থেকে মুক্তি যদি পেতে চান,তা হলে স্নানের জলে ১ চামচ নুন মিশায়া সেই জলে স্নান করবেন । এই কাজ করলে শরীরের নেগেটিভিটি এনারজি কম হয় এবং শরীর বিশুদ্ধ হয় ।  যারা ভূত, প্রেত এবং অশরির নিয়ে গবেষণা করেন তারা কোনো শ্মশান জায়গা থেকে ফিরে এই কাজ করে থাকেন ।

    ৩.ঘরের শান্তির পরিবেশ ফিরে আনতে  রুম বা শোবার ঘরে সৈন্ধব লবন রাখবেন।

    ৪. নজরদোষ বা যাদুটোনা দূর করতে ১ মুঠা লবন ডান হাতের মুঠোয় নিয়ে , যাকে বা যার নজর  লেগেছে তার মাথার উপর ৫ বার অথবা ৭ বার ঘুরিয়ে যে কোনো নদী বা বয়ে যাওয়া জলে ভাসিয়ে দিন । এতে নজর দোষ বিনাশ হবে ।

    ৫. অনেক দিন ধরে কোনো ব্যাক্তি বা লোক অসুস্থ থাকলে ওই অসুস্থ লোক এর বিছানার পাশে টেবিলে, একটা কাঁচের পাত্র বা জায়গা য় অবস্থায় কিছুটা লবন রেখে দিন । প্রত্যেক সপ্তাহে এই নুন বদলে ফেলুন  ।

    ৬. নজর দোষ, কালাজাদু বা তন্ত্রের কাজের প্রভাব কমাতে বা তার থেকে মুক্তি পেতে দুই হাতে একমুঠো করে নুন নিয়ে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত বসে থাকবেন এবং তার পরে বয়ে যাওয়া কোনো জলে ভাসিয়ে দিতে হবে বা যদি ঘরে কাজটি করেন তাহলে ওই নুন বেসিনে ফেলুন আর হাত ধুয়ে নিতে পারেন ।

    ৭. বাড়ির এনার্জ একটু বেশি থাকলে বাড়ির প্রত্যেকটি ঘরে, এমন কি টয়লেট বা বাথরুমে মাটির তৈরী বা কাচের পাত্র খোলা অবস্থায় লবন রেখে দিন । মনে রাখবেন প্রত‍্যেক সপ্তাহ বা প্রতি ১৫টি দিন অন্তর অন্তর এই লবন বা নুন আপনাদের বদলাতে  হবে ।

    ৮. বাড়ির দরজায় একটা লাল কাপড় বা লাল শালু তে লবন বেঁধে ঝুলায়া দিন । এটিতে বাড়িতে সহজেই কোনো অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারবে না ।

    ৯. অর্থের ভাগ্য ভালো করতে যদি চান তা হলে  একটি ছোট লাল শালু বা কাপড়ে  তিন চামুচ নুন বা লবন নিয়ে সেই শালু বা কাপড়ের একটি পুটল বানিয়ে নিন এবং তা নিজের কোনো আলমারিতে বা টাকা রাখার স্থানতে রাখুন ।

    এই সব প্রয়োগ এর কিছু  সতর্ক রয়েছে যেগুলো আপনাদের মনে রাখতে হবে –

    সতর্কতা

    ১.জ্যোতিষ মতেই বাস্তু  বিচার না করে বা জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়াই নুনের প্রয়োগ একেবারে করবেন না ।

    ২. আনুসাঙ্গিক যা  বাড়িতে রাখতে হবে অবশ্যই রাখুন, আপনার সখের ১০ লাখের বাড়ি ভোগ করতে ১% বাস্তু প্রতিকারে জন্য খরচ করুন।

    ৩. উপায়ে জন্য ব্যবহার করা নুন কখনো পুনরায় ব্যবহার করা যাবে না, কারণ সেই নুন বা লবন আপনার বাড়িরর নেগেটিভ এনার্জিকে শোধন করেছে । সেই নুন সব সময় এর জন্য কোনো নদী বা  বয়ে যাওয়া জলে  ভাসিয়ে দিতে হবে ।

    ৪. জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ম অনুসারে লবনকে চন্দ্র ও শুক্রের প্রতীক বা চিন্হ হিসাবে মানা হয়ে থাকে।

    ৫. নুনকে সব সময় মাটির তৈরি বা কাঁচের তৈরি পাত্রে রাখবেন । প্লাস্টিকের বা অন্য কোনো ধাতুর পাত্রে রাখবেন না ।

    ৬. রান্নাঘরের রাখা নুন যা খাবারে জন্য  ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা সব সময় ঢাকা রাখাই উচিত । কখনো খোলা ফেলে রাখবেন  না ।

    আমাদের এই পোস্ট  টি শেয়ার করার জন্য সবাই কে আনুরধ রাইল ধান্যবাদ !

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *